hi99 অ্যাপ কেন আলাদা — একটু বিস্তারিত বলি
বাংলাদেশে এখন অনেক অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম আছে, কিন্তু মোবাইল অ্যাপের দিক থেকে hi99 সত্যিই একটু ভিন্ন অনুভূতি দেয়। প্রথমবার অ্যাপটি খুললে মনে হয় না এটা কোনো তাড়াহুড়ো করে বানানো অ্যাপ। ইন্টারফেস পরিচ্ছন্ন, মেনু সহজে বোঝা যায়, এবং গেম খুঁজে পেতে কোনো ঝামেলা নেই। যারা স্মার্টফোনে বেশি সময় কাটান তারা প্রথম ব্যবহারেই বুঝতে পারবেন কতটা মসৃণভাবে সবকিছু কাজ করে।
অ্যাপটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটা ব্রাউজারের মতোই ফিচার-সমৃদ্ধ। মানে ওয়েবসাইটে যা যা করা যায়, অ্যাপেও হুবহু একই অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। ডিপোজিট, গেম খেলা, বোনাস ক্লেইম করা, উইথড্র — সব কিছু অ্যাপ থেকেই করা সম্ভব। আলাদা করে ব্রাউজার খোলার দরকার নেই।
hi99 অ্যাপের আরেকটা দিক যেটা অনেকের পছন্দ সেটা হলো পুশ নোটিফিকেশন। নতুন বোনাস এলে, ডিপোজিট কনফার্ম হলে, বা উইথড্র সম্পন্ন হলে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন পাওয়া যায়। ফলে বারবার অ্যাপ খুলে চেক করতে হয় না। যারা ব্যস্ত জীবনযাপন করেন তাদের জন্য এটা বেশ কাজের।
মোবাইল গেমিংয়ের ভবিষ্যৎ — বাংলাদেশের বাস্তবতা
বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতি বছর দ্রুত বাড়ছে। গ্রামে-গঞ্জেও এখন স্মার্টফোন আছে, ৪জি সংযোগ আছে। এই মানুষগুলো বিনোদনের জন্য প্রথমে ফোনের দিকেই হাত বাড়ান। hi99 এই বাস্তবতাটা ভালোভাবে বোঝে, সেজন্যই অ্যাপটি তৈরিতে এত মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
দুর্বল নেটওয়ার্কেও hi99 অ্যাপ চালানো যায়। অনেক গেমিং অ্যাপ ৪জি ছাড়া ঠিকমতো চলে না, কিন্তু hi99 ৩জি কানেকশনেও মসৃণ গেমপ্লে দেয়। এর পেছনে আছে অ্যাপের স্মার্ট ডেটা কম্প্রেশন প্রযুক্তি, যা কম ডেটা ব্যবহার করে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। রাজশাহী বা রংপুরের কোনো ব্যবহারকারী যদি গ্রামের বাড়িতে বসে hi99 খেলতে পারেন, সেটাই এই অ্যাপের সাফল্যের প্রমাণ।